অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা সংস্থা সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ১০:০৯ এএম

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা সংস্থা সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন, জাতীয় সংসদ ক্রমে প্রভাবশালী ধনী গোষ্ঠীর দখলে চলে গেছে। তারাই রাষ্ট্রের নীতি ঠিক করেছে। এ কারণেই ভঙ্গুর গণতন্ত্র দেখা গেছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক করতে না পারলে দেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আশা করা কঠিন। 


বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) বার্ষিক উন্নয়ন সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মত দিয়েছেন রেহমান সোবহান। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়ন নিয়ে আমরা যখন কথা বলি, তখন কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর বলি না। এর কারণ, আমরা কখনোই কার্যকর গণতন্ত্র পাইনি, যেখানে উন্নয়ন কেমন হবে এবং কোন ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন– তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে চিন্তাশীল বিতর্ক হয়। গত ৫০ বছরে এসব আলোচনা কখনোই টেবিলে আসেনি। আর যতক্ষণ পর্যন্ত না এগুলো আলোচনায় আসে, ততক্ষণ সমস্যার সমাধানও সম্ভব নয়।


অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরও রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন। তিনি  বলেন, রাজনৈতিক দলের মাঝে গণতন্ত্র নেই। কেন্দ্রীয়ভাবে ওহি নাজিলের মাধ্যমে নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়ার কোনো পরিবর্তন এখনও হয়নি। 


আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরিয়াল ফেলো সুলতান হাফেজ রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মনজুর হোসেন এবং বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক  কে এ এস মুরশিদ। বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। 


অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছিল না। একটি বড় ধরনের সংস্কার প্যাকেজ এখন দেশের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর কিছু হয়তো বর্তমান সরকার করে যেতে পারে, যদিও তাদের হাতে বাস্তবে খুব বেশি সময় নেই। শেষ পর্যন্ত এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে একটি নির্বাচিত সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো তেমন কেউ নেই। তারা যেসব সংস্কার প্রস্তাব করছে, তা কতটা গ্রহণ করবে আগামীর নির্বাচিত সরকার– সেই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। আলোচনার এ পর্যায়ে মঞ্চে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান মনসুরকে ইঙ্গিত করে অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, তিনি এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করছেন এক ধরনের স্বাধীনতা নিয়েই। সেখানে একজন নির্বাচিত অর্থমন্ত্রী থাকলে এবং একটি পূর্ণ নির্বাচিত সরকার থাকলে একই স্বাধীনতা পাওয়া যেত? 


অধ্যাপক রেহমান সোবহান আরও বলেন, ধারণা দেওয়া হয়েছে, সংস্কারগুলো নির্বাচিত সরকারকে আলোকিত করবে। তারা ভালো শাসন ব্যবস্থার পথে এগোবে এবং আমরা একই সঙ্গে ভালো গণতন্ত্র ও ইতিবাচক উন্নয়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করব। ধারণাটি আজকাল এক ধরনের রোমান্টিক চিন্তার অংশ হয়ে গেছে, যা একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ছবি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে তারা আসলে কী করবে? তাদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য কী? রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই হবে। কারণ অতীতের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। 


তিনি বলেন, ‘আমাদের আরেকটি বড় সমস্যা ছিল সংসদের অকার্যকারিতা। আসলে কখনোই এমন সংসদ পাইনি, যেখানে শক্তিশালী বিরোধী দল পাঁচ বছর ধরে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখবে এবং নীতিনির্ধারণী সব প্রশ্নে বিতর্ক হবে। এগুলো গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। আমাদের অভিজ্ঞতা মূলত ‘নির্বাচনী গণতন্ত্র’। ১৯৯১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন করেছি। সেখানেও নানা সমস্যা ছিল। ব্যতিক্রম হলো– ২০০১ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ বিনা বাধায় ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিএনপির কাছে। ৫২ বছরের ইতিহাসে এটুকুই আমাদের সাফল্য। 


বর্তমান সংস্কার এজেন্ডার ঘাটতি তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থা কীভাবে গণতান্ত্রিক করা যায় এবং কীভাবে এমন অবস্থা তৈরি করা যায় যাতে বিপুল ধন-সম্পদ ছাড়া সাধারণ মানুষও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে–এসব বিষয়ে নির্বাচন সংস্কার কমিশন কিছুই বলেনি। মনে রাখতে হবে, ১৯৭০ সালে যারা নির্বাচন করেছেন, তাদের অনেকেই বাস ও রিকশায় চড়ে এলাকায় যেতেন। তাদের সম্পদ সীমিত ছিল। এখন নিজের ‘পাজেরো’ ছাড়া কেউ নির্বাচন করার কথা কল্পনাও করতে পারেন না। 


তাঁর মতে, ‘যতক্ষণ না নির্বাচন এমন হবে যে, সমাজের সব স্তরের মানুষ সীমিত সামর্থ্য নিয়েও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, ততক্ষণ নির্বাচিত সংসদে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণিই আধিপত্য বিস্তার করবে।  নীতি প্রণয়ন হবে তাদের স্বার্থকে কেন্দ্র করে। অতএব, বাস্তবতা হলো সংস্কার টেবিলে আসবে, কিছু পাস হবে এবং কিছু বাস্তবায়ন করবে একটি নির্বাচিত সংসদ, যার সদস্যদের পছন্দ-অপছন্দই নির্ধারণ করবে সংস্কারের পরিণতি। আমরা আশা করতে পারি, কিছু সংস্কার অন্তত কার্যকর হবে। কিন্তু দিনের শেষে সংসদের চরিত্র না বদলালে এবং সমাজের বিভিন্ন অংশের প্রতিনিধিত্ব না থাকলে, আমরা আবার একটি এলিট-নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্রের মুখোমুখি হবো। যে গণতন্ত্র আমাদের বহু সমস্যার জন্ম দিয়েছে।


উন্নয়নের সংকট প্রসঙ্গে অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, এর প্রধান কারণগুলোর একটি হলো দুর্বল শাসন ব্যবস্থা। দুর্বল শাসন ব্যবস্থা ও অপশাসন নিয়ে কোনো দিন সংসদে কার্যকর আলোচনা হয়নি। বাজেট পর্যন্ত সংসদে ঠিকভাবে আলোচিত হয়নি। সরকারি অর্থনীতি, উন্নয়ন নীতি এবং  দুর্নীতি কোনোটিই সংসদে আলোচিত হয়নি। জিয়াউর রহমানের শাসনামল থেকে বাংলাদেশে যে খেলাপি ঋণের সংকট শুরু হয়েছে এবং এত বছর ধরে চলে আসছে, তা নিয়ে সংসদে কখনও যথাযথ আলোচনা হয়নি। এ নিয়ে কোনো অর্থবহ বা জোরালো বিতর্কও অনুষ্ঠিত হয়নি। এতে বোঝা যায়, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নকে সমন্বয় করা কত বড় সমস্যা। 


অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, ‘৩৫ বছর আগে যখন শাহাবুদ্দিন সরকারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব ছিলাম। তখন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আমন্ত্রণে একই বিষয়ে অর্থাৎ গণতন্ত্র ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। গত ৩৫ বছরে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় কী মূল্য সংযোজন হলো, তা বুঝতে মূলত এই অধিবেশনে এসেছেন তিনি। যদিও গণতন্ত্র ও উন্নয়নের বিতর্ক বহু পুরোনো। বহু বছর ধরে গণন্ত্র ও উন্নয়নের বিতর্ক চলে আসছে। ভালো উন্নয়নের জন্য  গণতন্ত্র প্রয়োজন। গত ১০ থেকে ১৫ বছর বাংলাদেশের উন্নয়নে নিজস্ব একটি বয়ান তৈরি করা হয়েছে। যেখানে উন্নয়নের নামে ভালো অবকাঠামো, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক সূচকের উন্নয়ন প্রাপ্তি হিসেবে বলা হয়েছে। কিন্তু সুশাসন পাওয়া যায়নি। মন্দ সরকার দিয়ে কীভাবে ভালো উন্নয়ন হতে পারে?




সর্বশেষ সব খবর

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১১ পিএম

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবারই (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের কথা জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।


বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা।


নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় দেরি হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকারের অভ্যন্তরে কোনো সংশয় নেই বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।


বিএনপির একটি নির্ভরশীল সূত্র বলেছে, পদত্যাগ করতে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে দলের উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে।


এর আগে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নির্বাচিত হন। ওই বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বপালনরত অবস্থায় সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ওপেন হার্ট সার্জারি করান। এরপর যুক্তরাজ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলাকালে তার হৃদযন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্লক শনাক্ত হওয়ায় জরুরিভিত্তিতে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়।


এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণ, রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে অভিভাবকত্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন এবং নতুন সরকারকে শপথ পাঠ করান।

সর্বশেষ সব খবর

তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদী

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:১৮ পিএম

দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়ায় এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হবে। ১১ সদস্য দেশের এই সম্মেলনে বাইরের বিভিন্ন দেশকে বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে আয়োজক দেশ।


এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামকে প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা।


জবাবে তিনি বলেন, “আমন্ত্রণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসেছে, আমরা সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।”

সর্বশেষ সব খবর

সালমান শাহ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:৪৯ পিএম

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবার পিছিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট নতুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিন ধার্য ছিল। তবে আজ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মো. জিয়াউল মোর্শেদ।


এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা নতুন তারিখ দেন। এ নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আটবার পেছাল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তাঁর মৃত্যুর ‘প্রকৃত কারণ’ নিয়ে নানা আলোচনা–জল্পনা আছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।


মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদকে আসামি করা হয়।


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৮ পিএম

নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী ও বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসান তাঁকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন।


আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান। 


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।


ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৮৯ সালে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। দেশ-বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা ও সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তিনি মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।


প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষণমূলক দায়িত্ব পালন করেন। কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন এবং কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।


এ ছাড়া নৌ সদর দপ্তরে পরিচালক নৌ অপারেশনস ও পরিচালক নৌ পরিকল্পনা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ ও নৌঘাঁটির অধিনায়কত্ব করেন।


ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম লেবানন ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। 


সর্বশেষ তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ ও ওমানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে ভূমিকা রাখেন।


প্রায় ৪০ বছরের কর্মজীবনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নৌবাহিনী পদক (এনবিপি), নৌ-পারদর্শিতা পদক (এনপিপি), জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ বিভিন্ন পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।


  স্বৈরাচার পতনের পর গুপ্ত বাহিনীর আত্মপ্রকাশ করেছে: প্রধানমন্ত্রী


সর্বশেষ সব খবর

নির্বাচন ভবন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:১৩ এএম

স্থানীয় সরকারের প্রথম ধাপের নির্বাচন আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠানের লক্ষে এবং আগস্টে এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, ‘ইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আশাকরি, আগামী অক্টোবরে প্রথম ধাপের নির্বাচন করতে পারবো।’ 


আগস্টের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।


আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কয়টি ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে কম সময়ে বেশি নির্বাচন যাতে করা যায় সেভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো বা বিলম্বিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথম দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নাকি পৌরসভা বা উপজেলা কোনটা আগে আসতে পারে  সেটা সুনির্দিষ্টভাবে এখনই বলা সম্ভব নয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়াবলী বিবেচনায় নিয়েই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনসমূহ অনুষ্ঠিত হবে।

 

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে হয়তো স্থানীয় সরকারের যে প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন শুরু করা হবে সেটা শেষ করা হবে। যেমন-ইউনিয়ন পরিষদ যদি ধরি তাহলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা যদি ধরি পৌরসভা, সিটি করপোরেশন যদি ধরি সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করা হবে। এর মধ্যে আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে যদি আদালতের কোন রায় বা কোনো নির্দেশনা থাকে- সেই বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেয়া হবে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের কোনো চিন্তাভাবনা আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,  ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।’

 

‘প্রবাসী ভোটাররা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না’- এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার  বলেন, এ বিষয়ে এখনো কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।

 

তিনি বলেন, যেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুব ভালোভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে অর্থাৎ সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। এটা জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। অতএব সেই নির্বাচন সফলতার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছিল, সেগুলো এই নির্বাচনেও নেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রা কমিয়ে আনতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকবে কমিশনের। নির্বাচন কমিশন মনে করে, রাজনৈতিক যে সংস্কৃতি গত নির্বাচন থেকে শুরু হয়েছে, এটা অব্যাহত থাকবে।  এটা অব্যাহত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আচরণবিধি নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে এবং এটা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে স্থানীয় সরকারের যে আইন রয়েছে, এই আইনটা একবারে দুর্বল নয়। এ আইন দিয়েই নির্বাচন করা সম্ভব। তবে অবজারভেশনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি আইন সংশোধন হয়, তাহলে সেই আইন অনুযায়ী নির্বাচন হবে। আর যদি আইন সংশোধন না হয় তাহলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে করে নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।’


সর্বশেষ সব খবর

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৫৩ এএম

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দক্ষতা, মননশীলতা এবং উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে ২০১৬ সালে চালু করা হয়েছিল জনপ্রশাসন পদক। ২০২২ সালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জনপ্রশাসন পদকের নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’ রাখা হয়েছিল। 


কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পদকপ্রাপ্তরা বিতর্কের মুখে পড়েছেন। এ অবস্থায় আমলাদের নতুন করে পদক প্রদান নিয়ে বিপাকে পড়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে এ নিয়ে রয়েছে অস্বস্তি।   


বর্তমান বাস্তবতায় এই নাম বহাল রেখে পদক দিলে অথবা পদক বাতিল করলে সমালোচনার মুখে পড়তে হতে পারে- এমন আশঙ্কায় প্রকাশ্যে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ জন্য গত দুই বছর ধরে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবসে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে না। 


এখন এই পদকের নাম পরিবর্তন করে আবার চালু, পদকপ্রাপ্তদের পদক বাতিল কিংবা নীতিমালা সংশোধন হলে নতুন কী যুক্ত হবে- এসব নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন জনপ্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 


এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সিপিটি অনুবিভাগ) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, যতক্ষণ নীতিমালা বাতিল বা পরিবর্তন হচ্ছে না, সে পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। তবে দিবসটি কীভাবে পালন করা হবে, এ বিষয়ে সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। 


দিবস আছে, অনুষ্ঠান নেই


প্রতিবছর ২৩ জুলাই জাতিসংঘ ঘোষিত জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও এবারের দৃশ্যপট ভিন্ন। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কোনো অনুষ্ঠান করছে না। 


এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পদকের নাম নিয়েই সবচেয়ে বেশি সমস্যা। নাম পরিবর্তন না করে পদক দিলে সমালোচনা হতে পারে, আবার নাম পরিবর্তন করলেও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা তৈরি হবে। তাই আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


২০১৭ সালে জনপ্রশাসন পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সাবেক অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন,  প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দক্ষতা, মননশীলতা এবং উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে এমন পদক প্রদান ব্যবস্থা থাকা উচিত। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উন্নতর জনসেবা দেওয়ার সুযোগ এসেছে। তাই নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা দরকার।  


২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ২০৪ জন ব্যক্তি ও ১৫টি প্রতিষ্ঠান জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রশাসন পদক পেয়েছেন। ২০২২ ও ২০২৩ সালে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পেয়েছেন ৫৬ ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তিগত অবদানের জন্য পেয়েছেন দুই লাখ টাকা এবং দলগত অবদানে পাঁচ লাখ টাকা। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট। 


বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পাওয়া এক কর্মকর্তা বলেন, নামের কারণে এ পদক আমার চাকরিজীবনে একটি কলঙ্কের দাগ বসিয়ে দিয়েছে। অথচ আগের নাম থাকলে এই পদকের জন্য আজ সম্মানের স্থানে থাকতাম।  


বিপিএএ ব্যবহার করছেন অনেকে 


নীতিমালা বদল না হওয়ায় পদকের উপাধি বিপিএএ (বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক) ব্যবহার করছেন অনেক কর্মকর্তা। গতকাল বুধবার ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব গোলাম রাব্বী নামের সঙ্গে লিখেছেন বিপিএএ। 


একইভাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পারভেজ হাসান এবং বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের যুগ্ম সচিব মঞ্জুরুল হাফিজ বিপিএএ লিখেছেন। এভাবে অনেক কর্মকর্তা উপাধি ব্যবহার করছেন। 


গোলাম রাব্বী বলেন, সরকার নীতিমালা সংশোধন করেনি। নীতিমালা যতক্ষণ বাতিল না হচ্ছে, ততক্ষণ উপাধি থাকবে।    


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনিরুল ইসলাম বলেন, নামের সঙ্গে কেউ কেউ বিপিএএ ব্যবহার করছেন- এটা আমি লক্ষ্য করিনি। শিগগিরই আমরা এই বিষয়টা দেখব।

সর্বশেষ সব খবর